1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোন: প্রযুক্তির নতুন বিপ্লব শুরু - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন

অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোন: প্রযুক্তির নতুন বিপ্লব শুরু

  • সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫
  • ১৫৫ বার পঠিত
অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোন

অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোন: এক যুগের অপেক্ষার পর প্রযুক্তির নতুন বিপ্লবের সাক্ষী হতে চলেছে বিশ্বের মোবাইল প্রেমীরা
অনলাইন ডেস্ক

অ্যাপল দীর্ঘদিন ধরে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি করে আসছে একটি ফোল্ডেবল বা ভাঁজযোগ্য আইফোন নিয়ে। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গুঞ্জন ও নানা রকম সমীক্ষার পর এবার সেই প্রযুক্তি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। প্রযুক্তি বিশ্লেষক মিন চি কুও সম্প্রতি জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের শেষভাগে ফোল্ডেবল আইফোনের উৎপাদন শুরু হতে পারে। যা মোবাইল জগতের নতুন যুগের সূচনা করবে।

ফক্সকন, অ্যাপলের দীর্ঘদিনের উৎপাদন সহযোগী, ২০২৫ সালের তৃতীয় বা চতুর্থ প্রান্তিকে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। অর্থাৎ আগামী আগস্ট থেকে নভেম্বরের মধ্যে ফোল্ডেবল আইফোন তৈরির প্রথম ধাপ হাতে নেয়া হবে। এর আগেই ২০২৬ সালে আইফোন ১৮ সিরিজের সঙ্গে একসঙ্গে এই নতুন ডিভাইস বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সব পরিকল্পনা এখনো চূড়ান্ত নয়, তবু ডিসপ্লের স্পেসিফিকেশন চূড়ান্ত হওয়ায় প্রকল্পটি যথেষ্ট এগিয়ে গিয়েছে।

স্যামসাং ডিসপ্লে ফোল্ডেবল আইফোনের ডিসপ্লে তৈরি করবে। তারা ২০২৬ সালের জন্য বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৮০ লাখ ফোল্ডেবল প্যানেল উৎপাদনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে। তবে কেবল ডিসপ্লে নয়, ফোনের হিঞ্জ বা ভাঁজ করার যন্ত্রাংশ নিয়ে এখনও গবেষণা চলমান। এই হিঞ্জ প্রযুক্তিই হবে ফোল্ডেবল ফোনের প্রাণ, যা ফোনকে বারবার ভাঁজ করার সময় স্থিতিস্থাপকতা এবং দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করবে।

অ্যাপলের ফোল্ডেবল আইফোন নিয়ে আগ্রহ এবং প্রত্যাশা এতটাই বেশি যে, মিন চি কুও জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে অ্যাপল প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি ইউনিট অর্ডার দিয়েছে। পরবর্তী বছরগুলোতে ২০২৭ ও ২০২৮ সালে বাজারে মিলিয়ন মিলিয়ন ইউনিট ছাড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দাম নিয়ে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এটি হবে প্রিমিয়াম ক্যাটাগরির পণ্য। অর্থাৎ সাধারণ গ্রাহকদের কাছে সহজলভ্য হবে না, বরং এটি একটি ‘টাওয়ারিং’ বা অত্যন্ত উচ্চমূল্যের ডিভাইস হিসেবে বাজারে ধরা দেবে।

অ্যাপলের এই ফোল্ডেবল আইফোন শুধু প্রযুক্তিগত দিক থেকেই নয়, বাজারে এর প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান নিয়েও উত্তেজনা তৈরি করেছে। কারণ, ফোল্ডেবল স্মার্টফোন বাজারে স্যামসাং ও অন্যান্য কোম্পানির গুণগত মান ও অভিজ্ঞতা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত। এখন অ্যাপল এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে তাদের দাপট দেখাতে চায়। এটি যদি সফল হয়, তবে গ্লোবাল স্মার্টফোন মার্কেটে নতুন দিক নির্দেশনা আসবে।

মোবাইল প্রেমীদের জন্য এই খবর নিঃসন্দেহে আশার আলো। দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করা ফোল্ডেবল আইফোন অবশেষে বাস্তবায়িত হতে চলেছে। প্রযুক্তির দুনিয়ায় অ্যাপলের এই নতুন আঘাত আগামী বছরগুলোতে স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে বদলে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: মিন চি কুও, ম্যাশেবল, এক্স, ফক্সকন

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..